পোস্টগুলি

অক্টোবর, ২০১৯ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

দোতারা।। একাদশ পর্ব

ছবি
'ঝিকো ঝিকো কড়ি রে আঞ্চলে বান্ধিয়া রে যায় নীলমন গৌরীপুরের হাট রে নীলনন নিলাও না' ১৯৯৭ সালে গৌরীপুর শহরে এই গানটি আমাকে শুনিয়েছিলেন মীরান্দা চৌধুরী।সে ছিল আমার সহপাঠী।গৌরীপুরের মেয়ে মীরান্দা আমাকে গৌরীপুরের গল্প শোনাত।প্রতিমা বড়ুয়ার গল্প,লালজি রাজা আর শ্যামলেশ বড়ুয়ার গল্প।তিনশো বলির দুর্গাপুজোর গল্প।আর গেয়ে উঠতো মাহুত বন্ধুর গান- 'যেদিন মাহুত ভুটান যায় নারীর মন মোর কান্দিয়া রয় রে' তখনই বুঝেছিলাম এই মীরান্দা চৌধুরী একদিন অনেক বড়মাপের লোকশিল্পী হবে।গাইবে নিজের মাটি আর মানুষের গান।বন্ধু হিসেবে আমার আজ গর্ব হয়। গৌরীপুরের মীরান্দা এখন পাকাপাকি গুয়াহাটি।লোকগান নিয়েই মগ্ন আছেন।গোয়ালপাড়ার গান গাইছেন।গানকে ছড়িয়ে দিচ্ছেন।নুতন প্রজন্মের শিল্পীদের অনুপ্রাণিত করছেন।গানের সিডি পৌঁছে যাচ্ছে মানুষের কাছে।আমি দূর থেকেই শুনতে পাই মীরান্দা চৌধুরীর গান- 'আরে কলসির পানি মাঝিয়ায় ঢালিয়া কলসি হইল মোর খালি রে হায়রে কলসিতে নাই মোর পানি রে'

চা পাতা।। ৪৪

ছবি
স ম্পা দ কী য় " অসত্য হতে আমাকে সত্যের পথে নিয়ে চল অন্ধকার হতে আমাকে জ্যোতির পরিচালিত কর মৃত্যু হতে আমাকে অমৃতের পথে নিয়ে চল" - কথাগুলো যার উদ্দেশ্যে বলা হচ্ছে তিনি ঈশ্বর ব্যাতিত অন্য কেউ নন।  কবি লেখকদের মধ্যে একটা বড় অংশকে দেখি যারা নিজেদের নাস্তিক বলে পরিচয় করাতে বেশ গর্ববোধ করেন।  আদতে নাস্তিক বলে কিছু আছে এটা আমার মনে হয় না। যারা প্রচলিত ঈশ্বরকে বিশ্বাস করেন না, তারা নিজের ঈশ্বরকে নিজের মতো গড়ে নেন।  তার কাছেই নতজানু হন বলে আমার বিশ্বাস। আপনি আপনার সৃষ্টির প্রতি নিশ্চয়ই বিশ্বাস করেন। সে নিশ্চয়ই আপনাকে এই দুঃখ অথবা সুখজগৎ থেকে খানিকটা বিচ্ছিন্ন করে খানিকটা ভিন্নস্বাদে সুখ ও দুঃখ ভোগের সুযোগ করে দেয়।   আপনি যদি পুরোপুরি নাস্তিক হতেন। তাহলে জ্বর বা ক্ষুধা পেলে হোটেল হাসপাতাল এর কথাই মনে পড়তো। কিন্তু আপনার মায়ের কথা মনে পড়ে। সুতরাং এইসব ওয়েস্টার্ন নাস্তিকতাবাদ থেকে দূরে থাকুন।  প্রচলিত ঈশ্বর নাই মানতে পারেন। নিজের মতো করে ঈশ্বরকে গড়ুন।তাকে ভালোবাসুন পূজা করুন।   শুভ দীপাবলি।সবাইকে আলোর উৎসবের অনেক অনেক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানাই।  সবার জীব

চা পাতা সাপ্তাহিক। ৪৩

ছবি
  সম্পাদকীয়        পূজো শেষ। আবার মানুষজন তাদের প্রতিদিনের জীবনে ফিরে যাচ্ছে। তাদের সেই সুখ ও দুঃখ ভরা জীবন। সুখ দুঃখ ব্যপারটাতেই অবশ্য ফাঁকি আছে । আমাদের শিক্ষা খুবই কম। তাই কখনো সুখকে দুঃখ, আবার দুঃখটাকেই সুখ ভেবে মাতামাতি করে ফেলি । আমাদের ঘরবাড়িকে বস্তুভান্ডার করে একটা প্রবণতা  এখন সবার মধ্যেই আছে। আর সেই কাম্য বস্তুগুলি না পেলেই মনে হচ্ছে দুঃখ পাচ্ছি। ডিভাইড এবং রুল রাজনীতির এই বিষয়টিকে এখন শিল্পপতিরা ব্যাবহার করছেন । তাই এখন আর গায়ে মাখা সাবান দিয়ে হাত আর মুখ ধুতে পারবেন না। জীবন ধুয়ে সাফ হয়ে যাক আপনাকে বিভিন্ন ফ্লেভারের একই জিনিস বারবার কিনতে হবে।    জোছনা চন্দন         মাধুরী হালদার চোখের পাতায় নিয়ে প্রতীক্ষার জল, স্বপ্নের তুলিতে আলপনা এঁকে বসে আছি তুলসী তলায়; বুনোফুলের মালা, শিরিষের দুল, ঝিঁঝিঁর ঝংকারে ঘরভোলা সুর ! ভুলে গেছি পুজোর ডালা; ধুপের ধোঁয়ায় ভরে গেছে মন্দিরের উঠোন  ! আরতির প্রদীপ হাতে নিলে ধুনোর ধোঁয়ার আড়ালে পূর্ণিমার গোল চাঁদই ভাসে ! সব ভুলে যাই আমি সারা অঙ্গে মাখি তোমার জোছনা চন্দন ! দুটি কবিতা   মারুফ আহমেদ নয়ন প

দোতারা।। ১০ম পর্ব

ছবি
'হামার দ্যাশত বড় বাঘের ভয় রে সোনা রায় বাঘের পালে হামলা দিবার চায় রে সোনা রায়' কিংবা- 'কোড়ায় মারে ডুব ও মোর মনত নাইরে সুখ কোড়ার কানদং মুই না পাং রে সহিবার' অনেক বছর আগে এক প্রায় মধ্যরাতের শীতের কুয়াশায় ডুবতে বসা লোকগানের আসরে একের পর এক গোয়ালপাড়ার গান শুনে শুনে সর্বশরীরে কি এক উত্তাপ ও শিহরণ তৈরি হয়েছিল যার রেশ এখনও বহন করছি আমি।এই না লোকগান!এই তো গানের জাদু।গানের মায়া।গানের কুহক।পরবর্তীতে সেই জাদুকণ্ঠের শিল্পীর সাথে আমার নৈকট্য তৈরি হয়েছিল। রহিমা বেগম কলিতা।অসমের গোয়ালপাড়ার কৃষ্ণাই তে বসবাস।স্বামী মাধব কলিতা শিক্ষক।ভালো তবলা বাজান।রহিমারা গড়ে তুলেছেন গানের দল 'সারিন্দা'।অসম ও উত্তরবাংলায় তুমুল জনপ্রিয় শিল্পী রহিমা বেগম কলিতা।তাকে গোয়ালপাড়ার লোকগানের রানী বলা হয়।প্রতিদিন নুতন করে নুতন গানের কথা ভাবেন।হারিয়ে যাওয়া কৃষ্টি ও গানকে সংরক্ষণের কথা ভাবেন।নুতন শিল্পীদের পাশে দাঁড়ান।আমি আমার বন্ধ চোখের ভেতর দেখি রহিমা কলিতা বেগম গাইছেন আর গানকে কুহক দিয়ে জড়িয়ে ধরছে বাদ্য ও বাজনা- 'এ পাড় থাকি না যায় দেখা রে নদীর ওই পাড়ের কিনার'

দোতারা।। ৯ম পর্ব।।

ছবি
প্রান্তিক ধুলোপথে অনন্ত গাড়িয়ালেরা গেয়ে চলেন মৈশাল বন্ধুর গান।গানের ঢেউ আছড়ে পড়ে লোকমানুষের এই দিনদুনিয়ায় ভিতর।আমরা শুনতে থাকি- 'আরে মৈষবাথানের চেঙরা মান্নান মিঞা তুই ক্যানে করিলু মোকে চৌকের ইশিরা' অঞ্জনা রায়।কোচবিহার জেলার চিলকিরহাট থেকে ভাওয়াইয়া শিল্পী হিসেবে উঠে এসেছেন।তার কণ্ঠের ম্যাজিক তাকে স্বতন্ত্র এক শিল্পীকে রূপান্তরিত করেছে। বাড়িতে বাল্য থেকেই লোকগানের পরিবেশ পেয়েছেন।নিকটাত্মীয় ত্রিফুল্ল রায় তথা গাটু বাবুর কাছে গানের প্রাথমিক পাঠ নেওয়া।গ্রামে শৈশব ও কৈশোরে বসতো পালা গান,কুশান পালা,বিষহরার আসর।বৈরাতি নাচ।সেই সব অঞ্জনাকে ক্রমে লোকসঙ্গীতের অদ্ভুত কুহকের ভেতর নিয়ে গেছে।একসময় বুঝে গেছেন,ভাওয়াইয়ার পাকে পাকেই ডুবে মরতে হবে তাকে। এই পরিণত বয়সে এসেও নিজেকে ব্যাপ্ত রেখেছেন লোকগানের মধ্যেই।আসলে,তিনি বুঝি গাইতেই থাকেন- 'গান গান করিয়া সর্বনাশ তবু না মেটে গানের হাউস গান করং মুই গাওয়াইয়া'

সম্পাদকীয়। চা পাতা। ৪২

ছবি
সম্পাদকীয়  জীবনের লক্ষ্য কি? এই প্রশ্নে সবাই নিজের মতো করে আলাদা আলাদা  উত্তর দেবেন, এটাই স্বাভাবিক।  কিন্তু সবগুলো উত্তরকে বিশ্লেষণ করলে যে সারকথাটি বেড়িয়ে আসবে সেটি হল আনন্দ প্রাপ্তি। জীবনের লক্ষ্য আনন্দ প্রাপ্তি।  কবিতাও হয়তো মানুষ এই জন্যই লেখে। অনেকেই বলে কবিতা লিখে কিরকম আসে? আসেনা শুনলে মুখ বেজার করে, বলে কেন লেখো তাহলে এসব, এত বই পত্রিকা এতকিছু,  এত কলকাতা - শিলিগুড়ি - কোচবিহার সব মাগনা! তাদের বলি তুমি সারাদিন খেটেখুটে বাড়িতে সবার মুখে হাসি তুলে দিয়ে যে আনন্দটুকু পাও,  আমরা হয়ত সেই আনন্দটুকু পাই না।  তবে আমাদের পাওয়া আনন্দটা, তোমার মতো আনন্দ না পেয়ে আমাদের যে দুঃখ, তারপাশে রাখি। আমরা একটা বিক্রিয়াজাত আনন্দের ভাগিদার হই । আর বেঁচে থাকি।    

শৌভিক রায়।। চা পাতা সাপ্তাহিক।। ৪২

ছবি
শৌভিক রায়   একটি সুইসাইড নোট - ২ জল ভাঙি, অতলে যাই নামছি নীচে, নীচেই অতল জানব বলে গভীরে আরও জলের নকশায়, জল কেবল অতল ডাকলে অনন্ত সাথী জল কেটে ঊর্ধ্ব মুখ জল টান... টান... নামি জলে, অতলে... ধুকপুক জীবন রয়ে যায়, বিষন্ন চেতনায় ভালোবাসি এই জীবন...জল জীবন অতল জীবন, চলি তোর কাছে

শান্তনু পাত্র।। চা পাতা সাপ্তাহিক।। ৪২

ছবি
শান্তনু পাত্র পরি ***** ওগো পরি, ভিক্টোরিয়া থেকে উড়ে এসো আমার বিছানায় সাদা চাদরের ভাঁজে, কৃষ্ণকলি রং কেমন আছো? পুরানো কন্যে। আমার ঠোঁটের থেকে এই আলো যা কিছু নিয়েছ শুষে, অন্তরালে কী বলবে বলো, দীর্ঘ বিচ্ছেদে আমার বহন, আলাপ, সমাপন নদী পাড়ে গড়ে ওঠা গ্রাম, পোড়াগ্রাম। শরীরে শরীর জড়িয়ে এই অন্ধকার মায়া পাপড়ির মতো, অতিধীর মৃদুমন্দ, নীরব আওয়াজে তখনও তো রোদ খুলেছিল! তোমার অপেক্ষা, ছাতার মতো, আদর পরম মুঠো খুলে মেপে নিও, হাতের গরম।

বিদ্যুৎ রাজগুরু।। চা পাতা সাপ্তাহিক।। ৪২

ছবি
বিদ্যুৎ  রাজগুরু   চাঁদ উঠেছে টোটো পাড়ায়  চাঁদ উঠেছে টোটোপাড়ায় হলুদ মেখে গায়ে, জ্যোৎস্না রাতে ভিজে এলাম চাঁদের দিকে চেয়ে। নদীর বুকে পাথরনুড়ি বোঝাই করা আছে, যন্ত্রণায় সে বুক বেঁধেছে জল নেই তো কাছে। ভরা নদী নেইকো এখন জলের যেন ছুটি, পাথরনুড়ি নদীর বুকে করছে লুটোপুটি। পাখ-পাখালির কলকাকলী সবুজ বনে বনে, জীবন চলে আপনমনে নদীর কথা শুনে। সবুজ মোড়া টোটো পাড়া সব ঋতুতে সাজে, আকাশ ছুঁয়ে সবুজ ওড়না বুক ঢেকেছে লাজে। আদিম আলোর পিদিম জ্বলে তোমার সবুজ প্রাণে, লাজুক নয়নে তোমায় খুঁজি নতুন দিনের গানে৷ বর্ষা এলে ঝরনা গুলো যেন জলের গয়না, হাওড়ি-তিতি-বাংড়ি নদী ধরে জলের বায়না। রঙ ধরে যে কমলাবনে শীতের হাওয়া ছুঁয়ে, আকাশছোঁয়া পাহাড়চূড়া মেঘের স্তম্ভ নুয়ে। সন্ধ্যা নামে টোটো পাড়ায় ঝিঁঝিঁর ডাক শুনে, মনের কথা বলে এলাম তোমার কানে কানে।

কৌশিক চক্রবর্ত্তী।। চা পাতা সাপ্তাহিক।। ৪২

ছবি
কৌশিক চক্রবর্ত্তী  বৈপরীত্য  মায়ের আদুল গা ….. নিরাকার শক্তিস্তম্ভ অদৃশ্য ধমনী বেয়ে রোমকূপের ডগায় ডগায়। জানা নেই .... মেরুদণ্ডের ভিত জমা রাখা আছে কামারশালায়। কাশফুলের বিপরীতে ধানের শিস্ ; লড়াইটা মজ্জাগত, অবচেতন নবাঙ্কুরে। শিলের ওপরে নোড়ার আঘাতে পিষে পিষে নোনারক্তের জমাট আঁধার, কবরীমুক্ত চাঁদেও  লাল কলঙ্কের দাগ। পায়ের তলায় সরষে  আর শরণার্থীর ভিড় সবই তুলে রাখা প্রতিদানের খাতায় …. শুধু সময় বড় বালাই ।।

অভ্রদীপ বসু।। চা পাতা সাপ্তাহিক। ৪২

ছবি
অভ্রদীপ বসু  অন্ধত্ব নৈঋতে মেঘ জমেছে তোমাদের পায়া ভারী হয়ে এলো রঙিন পলাশের কাছে নিরালায় শিখে নাও বসন্তের উদারতা ভরা ফাগুনের মাঝবয়সে আষাঢ়ে মেঘ ঘনাতে ভুলে যাও গো সখী ভুলেই যাও, কেননা অসময়ে সকলই অনিয়ম মেঘ কেটে কেটে জল নেমে আসছে ধীরে ধীরে মুছে যাচ্ছে সব ঘৃণা-প্রেম-ভাঙ্গন-শস্যল শবদেহ জুড়ে অন্ধকার নেমে এসে বুক ভিজিয়ে দিলো টিউশনি শেষ করে তুমি নিজ গতিতে ফিরছো, প্রচন্ড ঝড় হল চুল গুছিয়ে তুমি বাস স্টপে এসে দাড়ালে শরীরে চন্দনগন্ধ, এভাবে দাঁড়ালে বৃষ্টি আসে...ঢেউ আসে...বন্যা আসে তুমি আর ওভাবে থেকো না অচেনা যুবকের শিরায় খুঁজো না নিজেকে ওভাবে ভালো বেসো না আর ওরা অন্ধ হয়ে যাবে সখী জল ছেঁকে ছেঁকে যেমন অন্ধ হয়েছি আমি...

শিবসাগর ।। চা পাতা সাপ্তাহিক।। ৪২

ছবি
শি ব সা গ র কতক্ষন ? কতক্ষন দাঁড়িয়ে থাকলে মূর্তি হওয়া যায়? কতটা, ঠিক কতটা আলো মেপে নিলে, মুখে উল্কি জেগে ওঠে বাহারি জলরং ? আদতে আমি এসব কিছুই জানি না কোনোদিনও ছুঁয়ে দেখিনি সমর্পিত নদী, কোনো রাতে লেলিয়ে দেইনি ছাতিম সুবাস, স্বপ্ন দেখেও মনে রাখতে পারিনি এযাবৎ কাঁধের কোটরে খাটো-পা শালিকের ঘর হাওয়াবদল আর হাওয়াবদল, মেঘ বসতে এসেও জল খেতে চলে যায় কতটা, ঠিক কতটা বেঁচে থাকলে গাছ হওয়া যায় !

সুস্মিতা সাহা।। চা পাতা সাপ্তাহিক।। ৪২

ছবি
সু স্মি তা  সা হা দর্শন আজকাল শীত এলেই নিজেকে কুনোব্যাঙ বলে মনে হয় অনার্দ্র ত্বকের উষ্ণতা শুষে নেবার তীব্র ইচ্ছা অপাঙতেয় সারিতে বসে কিছু ভুলকথন আর তোমায় মুগ্ধ করার কিছু সহজাত প্রবণতা হবা থেকে কুনোব্যাঙ এক অদ্ভুত সমান্তরাল রুপান্তরেচ্ছার সায় মর্মভেদে তীক্ষ যৌবন চিলেকোঠায় ঘুমায়।